অভিনব আলকাপ ও কবিয়াল শিল্পীদের দিয়ে গানের সুরে প্রচার!
দি নিউজ লায়নঃ না কোন বহুজাতিক কিংবা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে দিয়ে নয়, রীতিমতো গ্রামীণ পরিবেশে প্রচারে অভিনবত্ব আনতে নজরকাড়া ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামম বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল সুপ্রিমোর নির্দেশেই তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে গান বেঁধে প্রচারে নেমেছেন সরকারি পরিচয়প্রাপ্ত লোকশিল্পীরা।শিল্পীদের মধ্যে বাউল, কবিয়াল, কির্তনীয়া, আলকাপ, জারিগান, ঢাক-ঢোল শিল্পী, সানাই বাদক, অন্যান্য বাদ্যযন্ত্রী রয়েছেন। এলাকার উন্নয়ন ছাড়াও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে চলছে গান বাঁধার কাজ। প্রসঙ্গত, খড়গ্রাম বিধানসভা এলাকার ১৪টি পঞ্চায়েতে কয়েকশো গ্রামীণ লোকশিল্পী রয়েছেন।
এছাড়াও অনেক শিল্পী রয়েছেন যাঁরা ষাটোর্ধ্ব, তাঁরাও একইভাবে ওই বিধানসভা এলাকার রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের প্রার্থীর হয়ে প্রচারে নেমেছেন। খড়গ্রাম বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের প্রার্থী আশিস মার্জিত। বলেন, এলাকার লোকশিল্পীদের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে। সেখানে বিধানসভা ভোটে আমাদের দলের সপক্ষে প্রচার করতে চাইছেন। শিল্পীরা স্বেচ্ছায় ছোট ছোট দল করে বিভিন্ন গ্রামে প্রচার করবেন। রাজ্য সরকারের ৬৯টি প্রকল্পের সুফল ছাড়াও এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন নিয়েও শিল্পীরা প্রচার করতে চাইছেন। সেই মতই প্রচার শুরু হয়েছে"।এলাকার শিল্পীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগে বিভিন্ন সরকারি বিজ্ঞাপনমূলক অনুষ্ঠানে পাঁচজনের দল করে এলাকায় কাজ করেছেন।
শিল্পীদের ওই প্রচার বাসিন্দারা দারুণভাবে গ্রহণ করেছেন। এবার ওই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে শাসকদলের হয়ে কাজ করতে চাইছেন। এলাকার আতাই গ্রামের বাদ্যযন্ত্র শিল্পী বিকাশ ঘোষ বলেন, রাজ্য সরকারের ভাতা পাওয়ার ফলে আমাদের মতো অনেক দুঃস্থ শিল্পীর দুর্দশা কিছুটা হলেও ঘুচেছে। তাই তৃণমূল সরকারকে ফের আমরা বাংলার ক্ষমতায় দেখতে চাই। এর জন্য আমরা তৃণমূলের প্রার্থীর হয়ে প্রচারে নামতে চাই"।এলাকার মন্ডলপাড়া গ্রামের লক শিল্পী পার্থ বিশ্বাস বলেন, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে গান বেঁধে তাতে সুর দিয়ে এই প্রচার চলছে"। মূলত এই ভোট প্রচার কৌশল কে হাতিয়ার করে শিল্পীরা খুব সহজ সরল স্থানীয় ভাষায় মানুষকে বোঝাতে চেষ্টা করছেন তৃণমূলের উন্নয়নের কথা। আর সেটিকে কাজে লাগাতে চাইছে তৃণমূল।

Post a Comment